Home / টুকি-টাকি / ফেসবুকে ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে যাদের বাদ দেওয়া উচিত

ফেসবুকে ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে যাদের বাদ দেওয়া উচিত

ফেসবুক এখন সামাজিক মাধ্যমে হিসেবে মানুষের দৈনন্দিন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে গেছে। বলা যায় বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের অনেকটা জুড়েই রয়েছে ফেসবুকের প্রভাব। হাসি-কান্না, সুখের স্মৃতি সব কিছুই ফেসবুক কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। ১৮ থেকে ৮০ বছর বয়সী সকলেই এখন ফেসবুকে ঝুঁকে আছেন।

ফেসবুকে বন্ধুত্ব রাখার ক্ষেত্রে একটু সচেতন হওয়া উচিত। বা বন্ধুদের ক্ষেত্রে একটু বাছাই করেই এগোনো উচিত। শুধু তালিকা বাড়ানোর জন্য বন্ধু বাড়িয়ে লাভ নেই। এক্ষেত্রে একটু সিলেকটিভ হয়ে তালিকাটা বরং ছোট রাখাটাই মঙ্গলের। কিন্তু বাদ দেবেন কাকে? তাহলে জেনে রাখুন নিম্নোক্ত বিষয়গুলো-

বস : অফিসের বসকে আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে রাখাটা খাল কেটে কুমির আনার মতো হতে পারে। কোনোদিন অফিসে মিথ্যা কথা বলে ঘুরতে গেলেন, ফেসবুকে সেই ছবি কেউ যদি পোস্ট করে দেয় তা আপনার বসের চোখে পড়বে। আর আপনার বিপদ ঘনিয়ে আসবে। সারাক্ষণ ভয়ে ভয়ে থাকা বস এটা দেখে নেবে, ওটা জেনে যাবে। তাই যদি বসকে অ্যাড করেও থাকেন তাহলে ডিলিট করে নিন। আপনার তালিকায় তিনি যে নেই তা হয়তো তিনি খেয়ালও করবেন না।

লোক দেখানো: ফেসবুকে আপনার বন্ধু তালিকায় এমন বন্ধু থাকতে পারে যারা লোক দেখিয়ে কোনো কিছু করতে ভালোবাসেন। এমন বন্ধুকে ফ্রেন্ডস তালিকা থেকে বিদায় জানানোটা মনে হয় বেশি ভালো হবে। হাঁচি, কাশি থেকে শুরু করে সিঙ্গাপুরে ঘুরতে যাওয়া, পাঁচতারা হোটেলে ডিনার করা- জীবনের এমন নানান পুংখ্যানুপুঙ্খ তথ্য সকাল দুপুর রাত আপডেট দিতে থাকেন। তাদের উদ্দেশ্যেই হচ্ছে, অন্যকে নিজের জীবনযাপন দেখিয়ে নিচু মন করানো। আপনি যদি তাদের ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে বাদও দিয়ে দেন, তাতে তাদের কিছু যাবে আসবে না, কিন্তু আপনি আর অন্তত হীনমন্যতায় ভুগবেন না।

সমালোচক: কিছু মানুষ আছেন যারা সমালোচনা করতে পছন্দ করেন। সোশ্যাল মিডিয়া আপনার ক্লান্তি মেটানো, আনন্দে মেতে ওঠার জায়গা হওয়া চাই। যেখানে আপনি বিনা বাধায় নিজের পছন্দের জিনিস করবেন। যার পছন্দ না তারা আপনাকে আনফ্রেন্ড করুক না ক্ষতি তো নেই। ঠিক সেভাবে যে বন্ধুরা সবসময় আপনার ছবি বা পোস্টের সমালোচনা করতে থাকেন তাকে ফ্রেন্ড লিস্টে রাখার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।

প্রাক্তন প্রেমিক/প্রেমিকা: আপনার প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকাকে ফ্রেন্ড লিস্টে না রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এতে আপনার প্রাক্তন সঙ্গীরও খারাপ লাগার কথা নয়। মানে কোনো কিছুকে আঁকড়ে ধরে রাখতে গেলে আর এগোতে পারবেন না। এমনকি আপনার বর্তমান বা ভবিষ্যত সম্পর্কেও জটিলতা তৈরি হতে পারে।

ঝগড়াটে: কিছু কিছু বন্ধু থাকে যারা ছোট-বড় যেকোনো বিষয়ে তর্ক করতে পছন্দ করেন। ফেসবুকে জাহির করতে চান তারা কতকিছু জানেন, তাদের ব্যক্তিত্ব কত দৃঢ় ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনি যে বিষয়ে আলোচনা করতে চান না সেই বিষয় নিয়ে বারবার পোস্ট করে আপনাকে উত্যক্ত করতে চায়। বাড়াবাড়ি কিছু করার আগেই এমন বন্ধুদের আনফ্রেন্ড করে দিন।

About Roudro Ahmed

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *