Home / জানা অজানা / যে প্রকৃতির মেয়েদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যেমন হয়!

যে প্রকৃতির মেয়েদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যেমন হয়!

আগামী পূর্ণিমাতেই পৃথিবীর বুকে ঘটতে পারে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা!

* নারীদের চেনা আসলেই কঠিন। তবে প্রকারভেদ করে ফেললে চিনে ফেলাটা মনে হয় একটু সহজ হয়ে যায়। বাৎসায়নের সূত্র অনুসারে নিচের বিষয়গুলোর সাথে প্রিয় নারীদের মিলিয়ে দেখে নিন।

* ঘরপ্রিয় নারী : এই ধরনের নারীরা সাধারণত ঠান্ডা প্রকৃতির হয়। সাংসারিক কাজে আগ্রহ থাকে বেশি। বসে বসে টিভি সিরিয়াল দেখাই এদের বিনোদনের অন্যতম প্রধান উৎস। এরা অল্পতে অভিমান করে আবার অল্পতেই খুশিও হয়। কারো প্রতি রাগ বা অভিমান থাকলে তা প্রকাশ না করে বছরের পর বছর মনের মধ্যে পুষে রাখতে পারে।

* উচ্চভিলাষী নারী : এই ধরনের নারীদের জনপ্রিয় হবার বাসনা প্রবল। সবার উপরে কিভাবে যাওয়া যায় সেই চেষ্টায় মগ্ন থাকে। এই ধরনের নারীদের অর্থের প্রতিও বিশেষ দুর্বলতা দেখা যায়। বিত্তের জন্য এরা যে কোনো কিছুই করতে সর্বদা প্রস্তুত। তবে ব্যক্তিগত জীবনে এরা তেমন সুখী হয় না।

* বুদ্ধিমতী নারী : সবচেয়ে কমসংখ্যক নারী এই শ্রেনীভুক্ত। বাস্তবিকভাবে অনেক নারী নিজেদের বুদ্ধিমতী ভাবলেও তারা এই শ্রেনীভুক্ত হতে পারে না। বিচক্ষণতা ও বুদ্ধিমত্তা দুটো আলাদা জিনিস। বিচক্ষণতার সাথে অভিজ্ঞতা জড়িত, বুদ্ধিমত্তার সাথে নয়। বুদ্ধিমতী নারীরা অনেক সময় জীবনের চরম সত্য গুলো আবিস্কার করে অনেক মূল্যহীনতায় ভুগে। অনেকে তাদের বুদ্ধির জোরেও এই সমস্যাকে মাথা থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। তবে এরা সাধারণত জীবনের চাওয়া পাওয়ার ব্যাপারে অনেক সন্তুষ্ট হয় অল্পতেও।

* ফটকা নারী : এরা সাধারনত বন্ধু কিংবা বান্ধবী বেষ্টিত হয়ে থাকতে পছন্দ করে। সব ধরনের উৎসবমুখর কর্মকান্ডে এদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। দৈনন্দিন জীবনে এদের বেশিরভাগ সময় কাটে ইন্টারনেটে বিভিন্ন মেসেঞ্জারে টাংকি বাজি করে। এরা খুবই অস্থির প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংসারিক কাজ এদের ভালো লাগে না যেমন, তেমন এক পুরুষকেও বেশিদিন ভালো লাগে না এদের।

লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ ! জেনে নিন কি করে করবেন ?

* সহজ সরল নারী : বাংলাদেশে এই ধরনের নারীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এরা সাধারনত খুব সহজেই অন্যর দ্বারা প্রভাবিত হয়। এ কারনে এরাই সবচেয়ে বেশি প্রতারনারও শিকার হয়। এদেরকে সৎ পথে ও ভালো রাখার জন্য অভিভাবকত্ব খুবই জরুরী। সাংসারিক জীবনেও এরা বেশ সুখী হয়।

* ঝগড়াটে নারী : এরা সাধারনত সব ধরনের কাজেই ঝামেলা করে মজা পায়। দিনের মধ্যে না হইচই করলে এদের পেটের ভাত হজম হওয়া কষ্টকর। এরা আধিপত্য করতে ভালোবাসে। এসব নারী প্রেমিকা হিসাবে ভালো হলেও বৌ হিসেবে অত্যন্ত ভয়াবহ।

* সন্দেহপ্রবন নারী : এদের জীবনের মূল লক্ষ্যই হল যেকোনো কাজের মধ্যে গভীর কোন অর্থ খুজে বের করা। এদের জীবন কাটে স্বামীর টেলিফোন, প্যান্টের পকেট, ড্রয়ার প্রভৃতি জিনিস পত্র চেক করে। এরা তাদের স্বামীকে খুব সাবধানে আগলে রাখতে চায়। জায়গা জমি কিনবা ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়েও এরা প্রচুর দুশ্চিন্তায় ভোগে।

* আত্মাভিমানী নারী : এরা কোন এক অজ্ঞাত কারনে সব দোষ নিজের উপর টেনে আনতে পছন্দ করে। এরা ইচ্ছা করে নিজেরা কষ্ট পেতে পছন্দ করে। কষ্টের জন্য চোখের জল ঠিকই পড়ে কিন্তু এটা যে নিজেরই তৈরি সেটা কখনো মনে করে না। এরা সারা জীবন শুধু কষ্টই পায়। এদের জীবনে সুখ কম।

* আহ্লাদী নারী : এরা সবসময় ছোট বাবুর মতো নাকি সুরে কথা বলতে ও শুনতে পছন্দ করে। দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারে এসব নারী প্রায় জন্মায় না বললেই চলে। এরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উচ্চবিত্ত বেশি হয়। খুব সাধারন ব্যবহার্য জিনিসে নাক সিটকানোর একটা অদ্ভুত প্রবনতা দেখা যায়। এরা আহ্লাদী হয় কারণ এরা তাদের বাবা মা এর কাছ থেকে মানুষ হবার যোগ্য শিক্ষা পায় না।

* দু মুখো নারী : এরা প্রচুর পরিমানে বানিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে। মুহূর্তের মধ্যেই কথা ঘুরিয়ে ফেলার আশ্চর্য এক ক্ষমতার অধিকারী এই শ্রেনীর নারীরা। এদের জন্য মানুষে মানুষে সাধারনত হানাহানি, ঝগড়া বিবাদ বেশি হয়। এদের দেখা মাত্র ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করা প্রত্যেকের অবশ্য কর্তব্য।

এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হীরা!

* জ্ঞানী নারী : সমাজে এদের স্থান বেশ উপরের দিকে। যদিও এরা নিভৃতে থাকতে বেশি পছন্দ করে। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় তারা ব্যয় করে উচ্চশিক্ষার পিছে। অর্জিত যে কোন ধরনের জ্ঞানই তারা ব্যবহার করে তাদের বাস্তব জীবনের আদর্শ নারী সমাজ গড়ে তোলার পিছে তাদের অবদান চিরদিন ছিল, আছে, থাকবে।

* পল্টিবাজ নারী : এরা খুব স্বার্থপর ধরনের হয়। স্বার্থের জন্য যেটা ভালো সেটাই এরা করে থাকে। কে কি বলল না বলল তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। এরা ন্যায় অন্যায় বিচার করতে পারলেও এটা নিয়ে তাদের মনে মনে দুঃখ করা ছাড়া এদের আর কোন কাজ নেই। এরাও খ্যাতির পিছেই ছোটে, কিন্তু খ্যতিও এদের বোকাই বানায়।

* কনফিউজড নারী : যে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে এরা হতাশায় ভোগে। এদের সবসময় মনে হয় সে যে সিদ্ধন্ত নিয়েছে সেটা সঠিক নয়। এ ধরনের নারীরা খুব অল্প ব্যর্থতাতেই খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এদের জন্য কাউন্সেলিং জরুরী।

* আত্মকেন্দ্রিক নারী : নিজেকে নিজের মাঝে গুটিয়ে রাখতে এরা পছন্দ করে। এদের পৃথিবীতে অন্যর হস্তক্ষেপ কিনবা অভিবাসনা এরা একেবারেই পছন্দ করে না। এরা বেশির ভাগই কল্পনা প্রবন হয়। এদের আত্মসম্মা বোধ অতিমাত্রায় প্রবল। এরা গৃহিণী হিসেবেও বেশ ভালো।

* ধার্মিক নারী : এদেও সাধারণত আপাতদমস্তক সবসময়ই ঢাকা থাকে। এরা সবাই রক্ষণশীল নীতি মেনে চলে। ম্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মাঝে এধরনের নারী বেশি থাকলেও উচ্চবিত্তদের মাঝে এদেও সংখ্যা কম নয়। এরা সাধারণত ঠান্ডা প্রকৃতির ও স্থির মেজাজের হয়। মাঝে মাঝে কিছু নারী এই ধার্মিকতার লেবাস ধরলেও তারা আসলে এই শ্রেণীভুক্ত নয়।

* ছলনাময়ী নারী / প্রতারক নারী : পোশাক আশাক কিনবা আচার ব্যবহারে অন্যদের থেকে এদের আলাদা করা অসম্ভব কঠিন। এদের প্রায় পুরোটুকুই মিথ্যা। এরা বেশি থাকে বাস টার্মিনালে, লঞ্চ ঘাট কিনবা ট্রেন স্টেশনে। এসব জায়গায় যেচে পড়ে কেউ এগিয়ে এলে সর্তক হোন। নিরাপধ ও সহজ সরল মানুষেরা এদের শিকার হয় প্রয়াশই। এদের দেখা আর ১০ নম্বর বিপদ সংকেত দেখা একই কথা।

* ক্রিমিনাল নারী : এরা বাংলাদেশে কম। বাইরের দেশে এদের সংখ্যা খুব দ্রুত বাড়ছে। এরা সাধারণত ভেঙে যাওয়া পরিবারের সন্তান। শৈশবের কিংবা কৈশোরের কোন ঘটনা যা তাকে ভুগিয়ে থাকে, নির্দোষ হবার পরেও, তারা সাধারণত অনেক বড় ধরনের অপরাধী হয়। আর এর সাথে যদি যোগ হয় বুদ্ধিমত্তা, তাহলে তো খবরই আছে। এরা অনেক বেশি প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে থাকে।

* লুল প্রিয় নারী : অবিশ্বাস্য ভাবে পুরো পৃথিবীতেই এদের সংখ্যা খুব দ্রুত বাড়ছে। এরা সবসময় এদের চারপাশে একদল মুগ্ধ পুরুষ দেখতে ভালোবাসে। এরা নিজেরা নিজেদের সীমানাটুকু ভালোই চেনে। এরা সর্বদাই সুখী হয়। দুঃখ এদের জীবনে থাকলেও তা হয় খুবই সাময়িক।

About Abul Fazal Azad

Check Also

346

লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ ! জেনে নিন কি করে করবেন ?

এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হীরা! সৌন্দর্য চর্চায় লেবুর কোন তুলনাই হয়না। শরীরের কালো দাগ দূর …

339

এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হীরা!

সুখী জীবন চাইলে এই ৩ রাশির নারীদেরই বিয়ে করুন সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে হীরার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *